নদীতীরে মাটি কাটে সাজাইতে পাঁজা

নদীতীরে মাটি কাটে সাজাইতে পাঁজা 
পশ্চিমী মজুর। তাহাদেরি ছোট মেয়ে 
ঘাটে করে আনাগোনা, কত ঘষামাজা। 
ঘটি-বাঁটি-থালা লয়ে আসে ধেয়ে ধেয়ে। 
দিবসে শতেক বার পিতল-কঙ্কণ 
পিতলের থালি পড়ে বাজে ঠন ঠন। 
বড় ব্যস্ত সারাদিন। তারি ছোট ভাই, 
নেড়ামাথা, কাদামাথা, গায়ে বস্ত্র নাই, 
পোষা পাখিটির মতো পিছে পিছে এসে 
বসি থাকে উচ্চ পাড়ে দিদির আদেশে, 
স্থির ধৈর্যভরে। ভরা ঘট লয়ে সাথে, 
বাম কক্ষে থালি, যায় বালা ডানহাতে 
ধরি শিশু কর। জননীর প্রতিনিধি, 
কর্মভারে অবনত অতি ছোট দিদি। 
সারমর্ম: কাজে কর্মে, স্নেহের বাঁধনে, শাসনের আবেষ্টনে প্রতিটি মেয়েই তার মায়ের প্রতিনিধি। সংসারের ছোট-বড় নানা কাজ সে মায়ের মতোই সয়ত্নে করার চেষ্টা করে। নিজের ছোট ভাইটিও তার মাতৃসুলভ স্নেহে সিক্ত। কেবল স্নেহ দিয়েই নয়, মায়ের মতো শাসন করেও সে তার ভাইটিকে তার সংস্পর্শে রাখে।